ফিকে আবহেও ঐতিহ্যের টানে বারপুজো ইস্টবেঙ্গলে, রীতি মেনেই ঘোষণা হল অধিনায়কের নাম
বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন প্রথা মেনেই শতাব্দীপ্রাচীন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে অনুষ্ঠিত হল ঐতিহ্যবাহী বারপুজো। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারের আয়োজন কিছুটা ফিকে বলেই মনে করেছেন অনেকেই।

ক্লাব সচিব রূপক সাহা পুজোর সংকল্প নেন। সিনিয়র দলের ফুটবলার ও কোচদের অনুপস্থিতি চোখে পড়ে, যদিও মহিলা দল এবং ডেভেলপমেন্ট টিমের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। বারপুজোর দিনেইপ্রথা ও রীতি মেনে নতুন মরশুমে অধিনায়কের নাম ঘোষণা করে ইস্টবেঙ্গল।

আগামী মরশুমে ইস্টবেঙ্গলের নেতৃত্বে থাকবেন মহম্মদ রাকিপ, আর সহ-অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন লালচুংনুঙ্গা। বারপুজোর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এআইএফএফ সভাপতি কল্যাণ চৌবে।

পাশাপাশি প্রাক্তনদের ভিড়েও জমে ওঠে ক্লাব প্রাঙ্গণ। মেহতাব হোসেন, দীপঙ্কর রায়, আলোক মুখার্জি, রহিম নবি-সহ একাধিক পরিচিত মুখের পাশাপাশি চমক হিসেবে হাজির হন হোসে রামিরেজ ব্যারেটো। ক্লাবের শীর্ষ কর্তা দেবব্রত সরকার আশাবাদী সুরে জানান, আগামী বছর ইস্টবেঙ্গল নিজেদের মাঠেই ফের ফুটবল খেলবে। কলকাতা লিগের পাশাপাশি আইএসএল-ও ঘরের মাঠে আয়োজনের

চেষ্টা চলছে। তাঁর মতে, ফুটবলাররা সঠিকভাবে প্রস্তুত হতে পারলে দল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ক্ষমতা রাখে।ট্রফি আসছে না বলেই কি ক্লাবমুখো হচ্ছে না সমর্থকরা। তা অবশ্য মানছেন না দেবব্রত সরকার।

সমর্থকদের তুলনামূলক কম উপস্থিতি নিয়ে শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকারের ব্যাখ্যা, প্রযুক্তির দৌলতে এখন অনেকেই ঘরে বসেই সবকিছু দেখছেন, যার প্রভাব পড়ছে এমন অনুষ্ঠানে।সব মিলিয়ে কিছুটা ফিকে আবহ থাকলেও, ঐতিহ্য, আবেগ এবং নতুন মরশুমের স্বপ্ন, সবকিছুর মেলবন্ধনে বারপুজো পালিত হল ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে।
