তিলকের ঝোড়ো সেঞ্চুরির তাণ্ডবে পুনর্জন্ম মুম্বইয়ের, কেকেআর আবার দশে!
টানা ব্যর্থতার অন্ধকার সরিয়ে অবশেষে আলোয় ফিরল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। আইপিএল ২০২৬-এর গুরুত্বপূর্ণ লিগ ম্যাচে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে গুজরাত টাইটান্সকে ৯৯ রানের বিশাল ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে কার্যত নতুন জীবন পেল হার্দিক পাণ্ডিয়ার দল। আর এই পুনর্জাগরণের কেন্দ্রে একটাই নাম, তিলক বর্মা।

টসে জিতে গুজরাত অধিনায়ক শুভমন গিল মুম্বইকে ব্যাট করতে পাঠাতেই শুরুটা ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। কাগিসো রাবাডার আগুনে স্পেলে পাওয়ার প্লের মধ্যেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় মুম্বই। স্কোরবোর্ডে তখন মাত্র ৪৪ রান। সেখান থেকেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন তিলক।

শুরুর ২২ বলে মাত্র ১৯ রান তোলে, এরপরই শুরু হয় আসল খেলা। আগুন ঝরাতে শুরু করেন এই তরুণ। পরের ২৩ বলে তুলে ফেলেন আরও ৮২ রান! মাত্র ৪৫ বলে ১০১ রানের বিধ্বংসী অপরাজিত ইনিংসে ছিল ৮টি চার ও ৭টি ছক্কা। ইনিংসের শেষ বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে নিজের আইপিএল কেরিয়ারের প্রথম শতরান পূর্ণ করেন তিলক। তাঁকে দারুণ সঙ্গ দেয় নমন ধীরের ৪৫ রানের ইনিংস। ফলে ৫ উইকেটে ১৯৯ রানের লড়াকু স্কোর দাঁড় করায় মুম্বই।

২০০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই দিশেহারা দেখায় গুজরাতকে। জসপ্রীত বুমরাহ টুর্নামেন্টে নিজের প্রথম উইকেট তুলে নিয়ে দাপটের সূচনা করেন। তবে বল হাতে আসল চমক দেন বাঁহাতি পেসার অশ্বিনী কুমার। মাত্র ২৪ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নিয়ে একাই গুজরাতের ব্যাটিং লাইন-আপ ভেঙে দেন তিনি। ওয়াশিংটন সুন্দর (২৬) ছাড়া আর কেউই লড়াই গড়তে পারেননি। শেষমেশ ১৫.৫ ওভারেই ১০০ রানে গুটিয়ে যায় গুজরাত টাইটান্স।

টানা চার ম্যাচে হারের পর এই বিশাল জয় মুম্বইয়ের আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনল নতুন করে। পয়েন্ট টেবিলের তলানি থেকে উঠে এল ৭ নম্বরে। ফলে কেকেআর আবার ফিরল ১০ নম্বরে। তবে কেকেআর ও মুম্বই জয়ে ফেরায় জমে উঠল আবার আইপিএলের লড়াই।
