বিচ্ছেদের পথে ব্রেক! বিজয়ের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করলেন সঙ্গীতা, দাম্পত্যে কি বরফ গলছে?
তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী তথা অভিনেতা বিজয় থলপতি ও তাঁর স্ত্রী সঙ্গীতার দাম্পত্য টানাপড়েনে আপাতত পড়ল ইতি। বিচ্ছেদের পথে না এগিয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করে নিলেন সঙ্গীতা। শুক্রবার চেঙ্গলপট্টু পারিবারিক আদালতে ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে হাজির হয়ে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি। তবে এই মুহূর্তে মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেও ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে ফের নতুন করে আইনি পথে যাওয়ার সুযোগ থাকছে সঙ্গীতার।
চেঙ্গলপট্টু পারিবারিক আদালতে চলছিল সঙ্গীতার দায়ের করা বিবাহবিচ্ছেদের মামলা। শুক্রবার ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে আদালতে হাজির হয়ে তিনি জানান, আর এই মামলা এগিয়ে নিয়ে যেতে চান না। এরপর তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে মামলা প্রত্যাহারের অনুমতি দেয় আদালত। বিজয়ের পক্ষের আইনজীবীরও এই আবেদনে কোনও আপত্তি ছিল না।
তবে মামলাটি খারিজ হওয়ার কারণে বিজয়ের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলির কোনও সত্যতা যাচাই করেনি আদালত।
প্রসঙ্গত,দীর্ঘ ২৭ বছর বৈবাহিক জীবন কাটানোর পর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিকে বিজয় ও সঙ্গীতার দাম্পত্যে টানাপড়েনের খবর প্রকাশ্যে আসে। এরপর সঙ্গীতা বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেছেন বলে জানা যায়। আদালতের নথি অনুযায়ী, সেই আবেদনে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, মানসিক নির্যাতন এবং মানসিক অবহেলার মতো একাধিক অভিযোগ তোলা হয়েছিল।আবেদনে সঙ্গীতার অভিযোগ ছিল, এক মহিলা সহ-অভিনেত্রীর সঙ্গে বিজয়ের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে। তাঁর দাবি, এই সম্পর্কের কারণে তিনি গভীর মানসিক যন্ত্রণা ও কষ্টের মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন। বিজয় প্রথমে ওই সম্পর্ক শেষ করার কথা বললেও সম্পর্কটি চলতে থাকে।সঙ্গীতার মতে,তাঁদের দাম্পত্য কার্যত শেষ হয়ে গিয়েছিল, শুধু কাগজে-কলমেই তা টিকে রয়েছে।
বিবাহবিচ্ছেদের পাশাপাশি বিজয়ের আয় ও সামাজিক অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্থায়ী খোরপোশের দাবিও করেছিলেন সঙ্গীতা। পাশাপাশি, নীলাঙ্করাইয়ে তাঁদের বৈবাহিক বাড়িতে থাকার অধিকার অথবা তার পরিবর্তে সমতুল্য থাকার ব্যবস্থার দাবিও জানিয়েছিলেন তিনি। তবে শুক্রবারের আদালতের নির্দেশে সঙ্গীতা ঠিক কী কারণে মামলা প্রত্যাহার করলেন, তা স্পষ্ট নয়। আদালতও এ বিষয়ে কোনও কারণ উল্লেখ করেনি। এ বার বিচ্ছেদের মামলা থেকে সরে দাঁড়িয়ে আবার নতুন করে সবটা শুরু করার ইঙ্গিত দিলেন এই দম্পতি।
