‘পারস্পরিক সম্মান রেখেই সিদ্ধান্ত’,গাঁটছড়ার পাঁচ মাসেই ছন্দপতন, আলাদা পথে বাদশা-ঈশা
বিয়ের পাঁচ মাসের মধ্যেই আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন র্যাপার-গায়ক বাদশা এবং পাঞ্জাবি অভিনেত্রী ঈশা রিখী। বেশ কিছুদিন ধরেই তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে কানাঘুষো চলছিল। তবে সমস্ত জল্পনায় এ বার নিজেরাই দাঁড়ি টানলেন। সোমবার রাতে নিজেদের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একই বিবৃতি ভাগ করে বিচ্ছেদের খবর ঘোষণা করেন বাদশা ও ঈশা। জানালেন, পারস্পরিক সম্মান বজায় রেখেই তাঁরা এবার আলাদা পথে হাঁটবেন।
বিবৃতিতে বাদশা লেখেন,”আমি এবং ঈশা রিখী পারস্পরিকভাবে আলাদা হয়ে নিজেদের পথে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই সিদ্ধান্ত পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতেই নেওয়া হয়েছে। এই কঠিন সময়ে সকলের কাছে আমাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তাকে সম্মান করার অনুরোধ করছি।” পাশাপাশি জল্পনায় ইতি টেনে তিনি আরও বলেন, “এই বিষয়ে এটাই আমাদের একমাত্র বিবৃতি। আমাদের সম্পর্ক নিয়ে আর কোনও জল্পনা বা অনুমান না করার জন্য আন্তরিকভাবে অনুরোধ করছি।”

গত জুলাই থেকেই তাঁদের সম্পর্কে টানাপড়েনের গুঞ্জন ছড়িয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেই সময় ঈশা বাদশার সঙ্গে কাটানো বেশ কিছু মুহূর্তের ছবি ও ভিডিয়ো দিয়ে একটি পোস্ট করেছিলেন। সঙ্গে লিখেছিলেন, “প্রতিটি ঝড়ই একটি শিক্ষা। প্রতিটি প্রার্থনাই আশা।” তাঁর সেই পোস্ট ঘিরেই শুরু হয় নতুন জল্পনা।এরপরই অনুরাগীদের একাংশের মনে প্রশ্ন ওঠে, তবে কি সম্পর্কে কোনও সমস্যা তৈরি হয়েছে?এরপর ঈশার মা পুনম রিখীও ‘কর্মফল’ নিয়ে একাধিক পোস্ট করায় সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়। যদিও সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি দুজনের কেউই।
চলতি বছরের মার্চেই ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে গোপনে বিয়ের পর্ব সেরেছিলেন বাদশা ও ঈশা। সেই খবর প্রকাশ্যে আসার পর জুনে ইনস্টাগ্রামের ‘আস্ক মি এনিথিং’ প্রশ্নোত্তর পর্বে তাঁদের বিয়ের কথা নিজেই স্বীকার করেছিলেন ঈশা। কিন্তু সম্পর্কের সেই নতুন অধ্যায় শুরু হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই বদলে গেল ছবিটা। পাঁচ মাস না পেরোতেই আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন দু’জনে।উল্লেখ্য,এটি বাদশার দ্বিতীয় বিয়ে ভাঙার ঘটনা। এর আগে ২০১২ সালে জেসমীন মাসীহকে বিয়ে করেছিলেন তিনি।তারপর ২০১৭ সালে তাঁদের একটি কন্যাসন্তান জন্ম হয়। এরপর ২০২০ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ চূড়ান্ত হয়।

