‘ওঁর ম্যালেরিয়া হয়েছিল,জ্বরে কাঁপছিল’,কাহিল অবস্থাতেও শুটিংয়ে অটল দীপিকা,মুগ্ধ সহ-অভিনেত্রী লারা
সাম্প্রতিক সময়ে বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাডুকোনকে কে ঘিরে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।বিশেষ করে ‘কল্কি ২’ এবং ‘স্পিরিট’ ছবির কাজ থেকে সরে দাঁড়ানো এবং শর্তপূরণ না হওয়ার অভিযোগ নিয়ে উঠেছে নানা বিতর্কের ঝড়।প্রথমবার মা হওয়ার পর তিনি জানিয়েছিলেন,”দিনে ৮ ঘন্টার বেশি শুটিং করা সম্ভব নয়।”নায়িকার এই কথায় কাজের নীতি ও পেশাদারিত্ব নিয়ে নানা কথা উঠলেও ,এবার তাঁর প্রশংসায় মুখ খুললেন অভিনেত্রী লারা দত্ত।
সম্প্রতি,১৬ বছর পূর্ণ করল সাজিদ খান পরিচালিত ‘হাউসফুল’। এই সময়ের শুটিংয়ের অভিজ্ঞতার কথা তুলে লারা বলেন,“অনেকেই জানেন না য হাউসফুল ছবির শুটিং চলাকালীন দীপিকা ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। ওঁর ম্যালেরিয়া হয়েছিল এবং সেইসময় রোগটা ওকে পুরোপুরি ভেঙে দিয়েছিল। তাই ওর জন্য ডাক্তার ডাকা হয় এবং ওষুধ দেওয়া হয়। তবুও ওর পেশাদারিত্ব ছিল অসাধারণ।রাত-দিন দীপিকা জ্বরে কাঁপত,ওঁর শরীরও সঙ্গে কাঁপত, আর সেই অবস্থায় ওষুধ খেত।”
লারা জানান , নির্ধারিত সময় মেনেই পরদিন সকালে শুটিংয়ে হাজির হতেন দীপিকা পাড়ুকোন। সেই সময় অভিনেতাকে নিয়ে একাধিক আবেগঘন দৃশ্যের শুটিং করতে হত নায়িকাকে। অসুস্থতার কারণে দীপিকার চোখে-মুখে ক্লান্তি স্পষ্ট থাকলেও, তা তাঁর কাজের উপর কোনও প্রভাব ফেলেনি। লারার কথায়, শারীরিকভাবে ভেঙে পড়া অবস্থাতেও অভিনয়ে কোনও ঘাটতি রাখেননি তিনি।
একজন সহ-অভিনেত্রী হিসেবে দীপিকার প্রশংসা করে লারা বলেন,“একজন অভিনেতা হিসেবে আরেকজন অভিনেতাকে এর জন্য কৃতিত্ব দিতেই হয়। কারণ আমি জানি, যখন কেউ এতটাই অসুস্থ থাকেন, তখন কাজ করা কতটা কঠিন। ম্যালেরিয়ার মতো রোগ সম্পূর্ণভাবে দুর্বল করে দেয়,এটা সাধারণ সর্দি-কাশি বা জ্বর নয়। তবুও দীপিকা নিজের কাজটা নিখুঁতভাবে করে গিয়েছে।”তিনি জানান,দীপিকা তাঁর কাজ সম্পর্কে অত্যন্ত পরিষ্কার ও মনোযোগী।তাঁর মতে,একজন অভিনেতা যখন নিজের দায়িত্ব ও কাজের প্রতি এতটাই সচেতন থাক,সেটাই তাঁর প্রকৃত ‘ম্যাজিক’।
