‘কলঙ্ক’ ব্যর্থতার ক্ষত আজও তাজা!কঠিন সময়ের কথা প্রকাশ্যে আনলেন বরুণ ধাওয়ান
‘স্টুডেন্ট অফ দ্যা ইয়ার’,’ম্যায় তেরা হিরো’,’বদলাপুর’,’দিলওয়ালে’-এর মতো একের পর এক সফল ছবির মাধ্যমে ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের জায়গা শক্ত করেছিলেন বরুণ ধাওয়ান।তবে সাফল্যের মাঝেই বড় ধাক্কা হয়ে এসেছিল ‘কলঙ্ক’-এর ব্যর্থতা।মাধুরী দীক্ষিত,সঞ্জয় দত্তের মতো তাবড় তারকা যুক্ত থাকার সত্ত্বেও মুখ থুবড়ে পড়তে হয় করণ জোহর ও সাজিদ নাদিয়াদওয়ালা প্রযোজিত এই ছবিকে।অবশেষে জীবনে প্রথম ব্যর্থ ছবির জন্য মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন ডেভিড পুত্র।সম্প্রতি ,একটি অনুষ্ঠানে সেই কথা জানালেন অভিনেতা।
সম্প্রতি,একটি সাক্ষাৎকারে বাবা-ছেলের খোলামেলা আড্ডায় উঠে আসে বরুণের জীবনের নানা অভিজ্ঞতা।সেখানে বরুণ ধাওয়ান জানান,তাঁর প্রথম বড় ব্যর্থতা তাঁকে ভিতর থেকে ভেঙে দিয়েছিল।তিনি বলেন,”আমার প্রথম ফ্লপ যখন হয়,তখই আমি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলাম। তার আগে পর্যন্ত আমার পরপর সফল ছবি ছিল।”বরুণের কথায়,ছবিটির জন্য গোটা টিম অসম্ভব পরিশ্রম করেছিল।এত পরিশ্রমের পরও দর্শকের কাছে তা কেন গ্রহণযোগ্যতা পায়নি ,তা বরুণ বুঝতে পারেননি।তিনি আরও জানান,সেইসময় ডেভিড ধাওয়ান তাঁকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন যে ইন্ডাস্ট্রিতে সাফল্য ও ব্যর্থতা দুটোই স্বাভাবিক।কিন্তু ‘কলঙ্ক’-এর মতো বড় ছবির ব্যর্থতা তাঁর পক্ষে মেনে নেওয়া সহজ ছিল না।
অন্যদিকে ডেভিড ধাওয়ান জানান,ছবিটির জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থও ব্যয় করেছিলেন করণ জোহর।আলোচনার সময় বরুণের প্রথম ছবি ‘স্টুডেন্ট অফ দ্যা ইয়ার’ প্রসঙ্গও ওঠে। তিনি জানান,ছবিটি মুক্তির পর অমিতাভ বচ্চনের একটি বিশেষ বার্তা পেয়েছিলেন তিনি।সেই বার্তায় বরুণকে ‘দীর্ঘ দৌড়ের ঘোড়া’ বলেছিলেন অমিতাভ বচ্চন। সেই মুহূর্তে ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেকটাই নিশ্চিত হয়েছিলেন ডেভিড।
বর্তমানে বরুণ ধাওয়ানকে দেখা যাবে তাঁর আগামী ছবি ‘হ্যায় জওয়ানি তো ইশক হোনা হ্যায়’। ছবিটি ৫ জুন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। ডেভিড ধাওয়ান পরিচালিত এই রোম্যান্টিক কমেডিতে অভিনয় করতে দেখা যাবে ম্রুনাল ঠাকুর ও পূজা হেগড়েকে।
