সুপার এইটে হেটমায়ার-পাওয়েল ঝড়ে রেকর্ড রানে জিতল ক্যারিবিয়ানরা, পাত্তাই পেল না জিম্বাবোয়ে
টি২০ বিশ্বকাপে ২০০৭ সালে শ্রীলঙ্কার সর্বোচ্চ ২৬০ রানের রেকর্ডটা অল্পের জন্য ভাঙতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তাতে অবশ্য সুপার এইটে প্রথম ম্যাচে বিশাল জয় পেতে কোনও অসুবিধেই হয়নি ক্যারিবিয়ানদের। হেটমায়ার- পাওয়েল ঝড় সামলানোর ক্ষমতা হয়নি অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে চমক দেওয়া জিম্বাবোয়ের। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে জিম্বাবোয়েকে ১০৭ রানে হারালো শাই হোপের দল। চলতি টি২০ বিশ্বকাপে এটা ক্যারিবিয়ানদের টানা পঞ্চম জয়।গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ওমানকে ১০৫ রানে হারিয়েছিল শ্রীলঙ্কা৷ এতদিন এটাই ছিল সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয়ের রেকর্ড। সেই রেকর্ড ভাঙল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

ম্যাচে পুরো ২০ ওভার খেলে তারা ৬ উইকেটে ২৫৪ রানে থামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। যা এ বারের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রান। হেটমায়ারের সঙ্গে রোভম্যান পাওয়েলের ৫২ বলে ১২২ রানের জুটি খেলা একপেশে করে দেয়। ৭ চার আর সমান ছক্কার ইনিংসে ৩৪ বলে ৮৫ রানে থেমেছেন হেটমায়ার। মাত্র ১৯ বলেই হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি।
পাওয়েল ৩৫ বলে ৫৯ রান করেই থেমেছেন। এরমধ্যে ৪টি করে সমান চার-ছক্কা। শেরফান রাদারফোর্ড ১৩ বলে ৩১, রোমারিও শেফার্ড ১০ বলে ২১ আর জেসন হোল্ডার ৪ বলে ১৩ রানে রান উঠে যায় পাহাড় সমান।

এত বড় রান তাড়া করতে নেমে জিম্বাবোয়ের চাপটা ছিল মারাত্মক। শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে জিম্বাবোয়ে। পাওয়ার প্লে শেষ হতে না হতেই ড্রেসিংরুমে ফেরেন তিনজন ব্যাটার। পঞ্চম উইকেটে টনি মুনয়োঙ্গাকে নিয়ে চাপ সামলে নেন সিকান্দার রাজা। কিন্তু তাদের তোলা রানরেট ম্যাচ জেতার জন্য যথেষ্ট ছিল না। আর এই দুই ব্যাটার আউট হওয়ার পর দাঁড়াতেই পারেননি কেউ। আউট হওয়ার আগে অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ২৭ রান করেন। আর ১৪ রান আসে মুনয়োঙ্গার ব্যাট থেকে। শেষ উইকেট জুটিতে নিজের ব্যাটিং ক্যারিশ্মা দেখান ব্র্যাড ইভান্স। মাত্র ২১ বলে ২টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৪৩ রান করেন তিনি। ৭ রানে অপরাজিত থাকেন এনগারাভা। আর রানের দেখা পাননি তিনজন ব্যাটার। জিম্বাবোয়ের ইনিংস থামে ১৪৭ রানে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের গুদাকেশ মোতি ৪টি, আকিল হোসেন ৩টি আর ম্যাথিউ ফোর্ডে নেন ২টি উইকেট। এই ম্যাচে ১৯ ছক্কায় টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ডে নেদারল্যান্ডসের পাশে বসেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
