গোয়েঙ্কার সামনেই জেমির ৪ গোলের উপহার, ফের পঞ্চবাণ মোহনবাগান, টানা ৪ জয়ে শীর্ষে

0

এই না হলে, মোহনবাগান! বসন্তের রঙ যে সত্যি সবুজ মেরুন। বসন্তের বাগানে ফুল ফোটাচ্ছেন জেমি ম্যাকলারেনরা। আইএসএলে চারে চার। পরপর দু’ম্যাচে ৫ গোল! মহমেডানের পর ওড়িশার বিরুদ্ধেও পঞ্চবাণ! যুবভারতীতে ওড়িশা এফসিকে ৫-১ গোলে ছারখার করে দিল মোহনবাগান। এরমধ্যে একাই চার গোল করলেন জেমি ম্যাকলারেন। অন্য একটি গোল করলেন আলবার্তো রদ্রিগেজ। যা তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করলেন মাঠে ম্যাচ দেখতে আসা সবুজ মেরুনের কর্ণধার সঞ্জীব গোয়েঙ্কা ও ফ্রি’তে খেলা দেখতে আসা হাজার কুড়ি সমর্থক।


যুবভারতীতে হ্যাটট্রিক করে বল হাতছাড়া করতে চাননি ম্যাকলারেন। স্মৃতি হিসেবে সঙ্গে নিয়ে গেছেন।দুর্দান্ত মরশুম শুরু করেছেন জেমি। এই টুর্নামেন্টে তিনি চার ম্যাচে সাত গোল করে ফেললেন। ম্যাচে ম্যাকলারেন প্রথমার্ধেই হ্যাটট্রিক সেরে ফেলেন। ম্যাচের আগে খাতায়-কলমে ওড়িশা  বেশ কিছুটা পিছিয়েই ছিল। কারণ জেমি ম্যাকলারেন, জেসন কামিংস, দিমিত্রি পেত্রাতোসদের মতো বিদেশিদের বিরুদ্ধে, ওড়িশা এফসি’তে একমাত্র বিদেশি কার্লোস দেলগাডো। সুযোগ নিতে ভুল করেনি মোহনবাগান।


ম্যাচের ১৪ মিনিটে প্রথম গোল পেয়ে যায় মোহনবাগান।পেত্রাতোস ব্যাক হিল পাস দেন শুভাশিসকে। শুভাশিস সেখান থেকে দারুণ একটি ক্রস তোলেন ম্যাকলারেনের দিকে। ম্যাকলারেন জালে বল জড়াতে কোনও ভুল করেননি। সেই শুরু। এর ১০ মিনিটের মধ্যেই দ্বিতীয় গোল পেয়ে যান ম্যাকলারেন।ডানদিক দিয়ে আক্রমণে উঠে লিস্টন বল দারুণ ভাবে কন্ট্রোল করে পাস বাড়ান জেমির দিকে।সেখান থেকেই গোল। তৃতীয় গোলটা করেন আলবার্তো। ম্যাচের ৪২ মিনিটে বক্সের বাইরে প্রায় ৪০ গজ দূর থেকে নিচু, কিন্তু জোরালো শট নেন আলবার্তো। বল সোজা জালে জড়ায়। তবে তৃতীয় গোলের পর এক মিনিটের মধ্যে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে ব্যবধান কমান রহিম আলি। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময় হ্যাটট্রিকটা সেরে ফেলেন ম্যাকলারেন। ৪-১ গোলে প্রথমার্ধ শেষ হয়।
বিরতির পরও আক্রমণের ঝাঁঝ কমায়নি মোহনবাগান। ওড়িশা মাঝে দু-একটি সুযোগ তৈরির চেষ্টা করলেও তা ফলপ্রসূ হয়নি। ম্যাচের শেষলগ্নে নিজের চতুর্থ এবং দলের পঞ্চম গোলটি করে ওড়িশার কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন গোলমেশিন ম্যাকলারেন। তাতে আগের ম্যাচে মহমেডানকে ৫-১ গোলে হারানোর পর, এদিন ওড়িশার বিরুদ্ধেও একই ব্যবধানে জয়পেতে কোনও অসুবিধে হয়নি মোহনবাগানের।  ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে আপাতত লিগ টেবিলে সবায়ের ধরাছোঁয়ার বাইরে মোহনবাগান।

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *