শেষ বিদায়ে ‘আশা তাই’, চোখের জলে ভেঙে পড়লেন শচীন তেন্ডুলকর

0

সুর থেমে গিয়েছে, কিন্তু আবেগ থামেনি। কিংবদন্তি শিল্পী আশা ভোঁসলের শেষকৃত্য অনুষ্ঠান। বাঁধ মানল না চোখের জল। শেষ বিদায়ে চোখের জলে ভেঙে পড়লেন ভারতীয় ক্রিকেটের কিংবদন্তি শচীন তেন্ডুলকর।মুম্বইয়ের লোয়ার পারেলে স্ত্রী অঞ্জলি তেন্ডুলকরকে সঙ্গে নিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এসে নিজেকে আর সামলাতে পারেননি শচীন। আশা ভোঁসলের পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েই কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। চোখের জল যেন বলে দিচ্ছিল-এ শুধু এক শিল্পীর প্রয়াণের শোক নয়, এক অত্যন্ত আপন মানুষকে হারানোর বেদনা।
শচীন ও আশা ভোঁসলের সম্পর্ক ছিল বহু বছরের। মাঠের সাফল্যের বাইরেও তাঁদের মধ্যে গড়ে উঠেছিল এক আন্তরিক পারিবারিক বন্ধন। আশা ভোঁসলে বহুবারই প্রকাশ্যে বলেছেন, শচীন তাঁর কাছে সন্তানের মতো। অন্যদিকে শচীন তেন্ডুলকরও তাঁকে পরিবারের সদস্য বলেই মনে করতেন। তেন্ডুলকর পরিবারের নানা অনুষ্ঠানে নিয়মিত উপস্থিত থাকতেন ‘আশা তাই’। মাত্র এক মাস আগেই অর্জুন তেন্ডুলকরের বিয়ের রিসেপশনে শেষবার দেখা গিয়েছিল তাঁকে। দু’জনের জীবনে আরেকটি উল্লেখযোগ্য মিল-২০০৮ সালে ভারত সরকার তাঁদের দু’জনকেই নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য ‘পদ্মবিভূষণ’ সম্মানে ভূষিত করে।
প্রয়াণের পর সমাজ মাধ্যমে শচীন লেখেন, ‘আশা তাই আমাদের পরিবারের মতো ছিলেন… এই শূন্যতা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।’ এই বার্তাতেই ধরা পড়ে তাঁর অনুভূতির গভীরতা। আশা ভোঁসলের বিদায় নিঃসন্দেহে সঙ্গীত জগতের অপূরণীয় ক্ষতি। কিন্তু তার বাইরেও, এই বিদায় একাধিক মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে তৈরি করল গভীর শূন্যতা। শচীন তেন্ডুলকরের চোখের জল যেন সেই অদৃশ্য বন্ধনেরই নীরব সাক্ষী হয়ে রইল।

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *