বিতর্ককে বুড়ো আঙুল, বাবা-ছেলের সমীকরণ নিয়ে পর্দায় পৃথার ফেরা,প্রযোজনায় নন্দী মুভিজ
কয়েকদিন ধরেই চলছিল বিতর্ক। নন্দী মুভিজের একের পর এক ছবির মুক্তি নাকি স্থগিত হয়ে যাবে,শোনা গিয়েছিল এমনটাই।’বিবি পায়রা’-র সাফল্যের পর ফের পর্দায় চমক দিতে হাজির নন্দী মুভিজ।২৯ মে মুক্তি পাবে তাঁদের আসন্ন ছবি ‘ফেরা’। বৃহস্পতিবার ছবিটির পোস্টার প্রকাশ্যে আসার পর এবার মুক্তি পেল টিজার।পরিবার,বাবা-ছেলের সম্পর্ক এবং সময় বদলের গল্প নিয়ে তৈরি এই ছবির প্রথম ঝলক ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছে দর্শকের।ছবির প্রযোজনায় রয়েছেন প্রদীপ কুমার নন্দী এবং পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে পৃথা চক্রবর্তী।আসন্ন ছবিতে অভিনয় করতে দেখা যাবে সঞ্জয় মিশ্র,ঋত্বিক চক্রবর্তী, সোহিনী সরকার এবং প্রিয়াঙ্কা সরকারকে।

সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত টিজারে দেখা যাচ্ছে দুই প্রজন্মের মানসিক দূরত্ব ও সম্পর্কের টানাপোড়েন।একদিকে পলাশ অর্থাৎ ঋত্বিক চক্রবর্তী ,যা দ্রুতগতির শহুরে জীবনে নিজেকে টিকিয়ে রাখতে প্রতিনিয়ত ছুটে চলেছে।অন্যদিকে তাঁর বাবা পান্নালাল অর্থাৎ সঞ্জয় মিশ্র ,যিনি একসময় এলাকার নায়ক ছিলেন তবে এখন সময়কে মাপেন অভ্যাস এবং জং ধরা স্মৃতিতে।বদলে যাওয়া এক বাড়ি,জমে থাকা অভিমান এবং অতীতের মুখোমুখি হওয়ার গল্পই ছবিতে তুলে ধরা হবে।যখন চাপা পড়ে থাকা অতীত হঠাৎ সামনে এসে দাঁড়ায়, তখন তাঁদের দু’জনের আলাদা জীবনধারা ও সম্পূর্ণ ভিন্ন ভাবনার জগৎ অনিচ্ছাসত্ত্বেও একে অপরের মুখোমুখি হয়ে যায়।
‘ফেরা’ শুধুমাত্র একটি পারিবারিক গল্প নয়, এটি জীবনের নীরব হিসেবনিকেশের কাহিনিও। সাফল্য বলতে আমরা কী বুঝি, পথ চলতে গিয়ে জীবনে কত কিছু পিছনে ফেলে আসি আর সব কোলাহল থেমে গেলে শেষ পর্যন্ত কী থেকে যায় সেই আবেগঘন প্রশ্নই উঠে আসবে ছবিতে।ছবিটি ফিরে আসার গল্প বলবে, তবে কোনও জয় বা গৌরবের কাছে নয় বরং ফিরে আসা এমন একজন মানুষের কাছে, যিনি এখনও নিজের কাছের মানুষের জন্য একটি জায়গা আগলে রেখেছেন।
উল্লেখ্য,ছবির অন্যতম আকর্ষণ সঞ্জয় মিশ্র। মূলত হিন্দি ছবির জগতে নিজের অভিনয় দক্ষতায় আলাদা পরিচিতি গড়েছেন তিনি।’ভুল ভুলাইয়া’,’বধ’,’গোলমাল’ সহ একাধিক জনপ্রিয় ছবিতে তাঁর অভিনয় দর্শকের মনে গভীর ছাপ ফেলেছে।প্রথমবারের জন্য বাংলা ছবিতে অভিনয় করতে দেখা যাবে তাঁকে।যা নিয়ে অনুরাগীদের প্রত্যাশা তুঙ্গে।ছবিটির মুক্তি পাওয়া টিজার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে তিনি লেখেন,”ভোটের আবহাওয়ায় বাংলা এখন গরম,তাই এর মাঝে আপনাদের জন্য বাবা-ছেলের সম্পর্কের ঠান্ডা শরবত নিয়ে আসছে ফেরা।আমাকে এই সুন্দর গল্পের অংশীদার করে তোলার জন্য ধন্যবাদ নন্দী দা এবং পৃথাকে।দেখা হচ্ছে ২৯ মে।”
