টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারতের মাথাব্যথার কারণ দলেরই দু’জন, আহমেদাবাদের পিচ নিয়ে জল্পনা
সুর্যকুমারের কাছে ট্রফি ধরে রাখার লড়াই। রবিবার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ফাইনাল যুদ্ধ টিম ইন্ডিয়ার। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ৬টি ম্যাচ হয়েছে এখনও পর্যন্ত। ভারত-নিউজিল্যান্ডের মধ্যে ফাইনালও হচ্ছে এই ভেনুতে। এই মাঠ নিজেদের হলেও যেন ‘অপয়া’ তকমাও রয়েছে টিম ইন্ডিয়ার।

২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনাল ও শেষ চলতি বিশ্বকাপের সুপার এইটেও হারতে হয়েছে।তবু তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের হাতছানি কিছুতেই হাতছাড়া করতে রাজি নয় টিম ইন্ডিয়া।কারণ, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে ভারত ও নিউজিল্যান্ড পরিসংখ্যান এগিয়ে রাখছে অনেকটাই। দু’দেশ মোট ৩০ বার মুখোমুখি হয়েছে। তার মধ্যে ১৮টি ম্যাচে জিতেছে ভারত এবং নিউজিল্যান্ড জিতেছে ১১টি ম্যাচে। একটি ম্যাচের কোনও নিস্পত্তি হয়নি।আবার কিউয়িদের জন্য আশার আলো, কখনোই কিউয়িদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হারাতে পারেনি ভারত। কেবল তাই নয়, এখনও পর্যন্ত ভারতের বিরুদ্ধে দুটি আইসিসি ইভেন্টের ফাইনালেই জিতেছে নিউজিল্যান্ড। ২০০০ সালে নকআউট ট্রফি (বর্তমানে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি) এবং ২০২১ সালে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল।

ভারতের মাথাব্যথার কারণ দুটো। একজন অভিষেক শর্মা। অন্যজন বরুণ চক্রবর্তী। দুই সেরা ক্রিকেটারই এ বার ভরসা দিতে পারেননি। দু’জনেই যেন অফফর্ম। শেষ ম্যাচে তাদের খেলানোর ঝুঁকি নেবেন, না ‘লাকি’ ইলেভেনই রাখবেন সূর্যকুমাররা তাই দেখার। বরুণ চক্রবর্তীর গ্রুপ পর্বে চার ম্যাচে ইকোনমি ছিল ৫.১৬, গড় ৬.৮৮। সুপার এইট ও সেমি ফাইনালের চার ম্যাচ মিলিয়ে তাঁর ইকোনমি ১১.৬২। গড় ৪৬.৫০। ফাইনালের আগে সাংবাদিক সম্মেলনে সূর্যকুমার বলেন, ‘বরুণের ফর্ম নিয়ে আমরা চিন্তিত নই। ক্রিকেট দলগত খেলা। ম্যাচ জেতার উপরেই আমরা ফোকাস করছি। ওর পারফর্ম্যান্স নিয়ে আলাদা করে ভাবছি না কিছু। বরুণ বিশ্বের এক নম্বর বোলার। ও জানে কী ভাবে দলকে ম্যাচ জেতাতে হয়। যদি কিছু পরিবর্তন হয় দলে, সেটা ম্যাচের দিনই ভেবে দেখব।’
পিচ নিয়েও জল্পনা রয়েছে এই লড়াইতে। জানা গেছে, মিশ্র মাটির উইকেট প্রস্তুত হচ্ছে।সেখানে কালো মাটির তুলনায় বেশি থাকবে লাল মাটি।এর আগে দুই হারেই ছিল কালো মাটির প্রভাব। এ বার ঘরের মাঠে ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে পারে কিনা, তাই দেখার।


