‘বিষয়টা নীরব রাখতে চেয়েছিলেন’! হাসপাতালে মিঠুন,অভিনেতাকে দেখে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী ?

0



হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি প্রবীণ অভিনেতা তথা বিজেপির অন্যতম সদস্য মিঠুন চক্রবর্তী। টানা তিন দিন ধরে কলকাতার ইএম বাইপাস সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বর্ষীয়ান অভিনেতা। তাঁর ডান হাতে ফের চোট লেগেছে। সেই কারণেই বৃহস্পতিবার সফলভাবে ছোট একটি অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তবে আপাতত উদ্বেগের কোনও কারণ নেই বলেই হাসপাতাল সূত্রে খবর। অস্ত্রোপচারের পর স্থিতিশীল রয়েছেন অভিনেতা, চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণেই চলছে তাঁর চিকিৎসা। মিঠুনের অসুস্থতার খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে হাসপাতালে তাঁকে দেখতে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

মিঠুনের অসুস্থতার খবর পেয়েই শুক্রবার তড়িঘড়ি সকালে হাসপাতালে তাঁকে দেখতে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সকাল ১১টা ৪০ মিনিট নাগাদ হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেন তিনি।হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে মিঠুনের শারীরিক অবস্থা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “হাতে ছোট্ট একটা অস্ত্রোপচার হয়েছে। এখন তিনি ভাল আছেন। অস্ত্রোপচারের বিষয়টা নীরবেই রাখতে চেয়েছিলেন। চাননি যে এই বিষয়ে খুব বেশি প্রচার হোক। আমরা কয়েক জন জানতাম। আমাকে বলেই গিয়েছিলেন তিনি। আমি আজ দেখে গেলাম। এখানে চিকিৎসকরা তাঁর খুব ভাল দেখাশোনা করছেন।খুব শীঘ্রই তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে।”
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, অস্ত্রোপচারের পর মিঠুনের অবস্থা নিয়ে আপাতত উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। চিকিৎসকদের কড়া নজরদারিতে রয়েছেন তিনি। খবর,পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে শনিবার তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে।প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালেও ডান হাতে গুরুতর চোট পেয়েছিলেন মিঠুন। সেই সময় লুক টেস্টের জন্য হায়দরাবাদ ছিলেন ‘মহাগুরু’। সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় আচমকাই পড়ে গিয়ে হাতে চোট পান তিনি। চিকিৎসকের পরামর্শে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয় এবং পরের দিনই অস্ত্রোপচার করা হয়।তবে ফের সেই হাতেই অস্ত্রোপচার প্রবীণ অভিনেতার।
রুপোলি পর্দায় তাঁর দীর্ঘ অভিনয়জীবন হোক কিংবা রাজনীতির ময়দান মিঠুন চক্রবর্তীর জনপ্রিয়তা আজও অমলিন। প্রিয় ‘মহাগুরু’র অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়তেই উদ্বেগে অনুরাগীরা। এখন দ্রুত সুস্থ হয়ে মিঠুন আবার স্বাভাবিক ছন্দে ফিরুন, সেই প্রার্থনাই করছেন তাঁর অগণিত ভক্ত।

About The Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *