প্রথম বার ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার কোহলি, সমালোচনা হতেই বোঝালেন তিনি কেন ‘বিরাট’!
মুম্বইয়ের বিরুদ্ধেই মন্থর ব্যাটিংয়ের জন্য সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন কোহলি। কিন্তু পরের ম্যাচেই যেন সেই সমালোচনার জবাব দিলেন ব্যাট হাতে। আবারও প্রমাণ করলেন কেন তাঁকে ‘চেজমাস্টার’ বলা হয়। চিন্নাস্বামীর কঠিন পিচে ব্যাট করা যেখানে সহজ ছিল না, সেখানেই ব্যাট হাতে ঝড় তুলে ম্যাচে জয়ের রাস্তা দেখিয়ে দিলেন বিরাট কোহলি। এই প্রথম বার আইপিএল ইতিহাসে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে নামলেন বিরাট কোহলি। তাতেও তিনি বিরাটই থেকে গেলেন। তাঁর দাপুটে ইনিংসে ভর করেই লখনউ সুপার জায়ান্টসকে ৫ উইকেটে হারিয়ে আইপিএলের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে এল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।
টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক রজত পাতিদার। প্রথম একাদশে কোহলির নাম না থাকায় কিছুটা চমক তৈরি হলেও পরে জানা যায়, তাঁকে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে রাখা হয়েছে। সেই সিদ্ধান্তই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে তেমন সুবিধে করতে পারেনি লখনউ। রশিখ সালামের আগুনে স্পেলে ৪ উইকেট এবং ভুবনেশ্বর কুমারের নিখুঁত লাইনলেন্থে ৩ উইকেট হারিয়ে ভেঙে পড়ে সঞ্জীব গোয়েঙ্কার দল। মিচেল মার্শ (৪০), মুকুল চৌধুরী (৩৯) ও আয়ুষ বাদোনি (৩৮) লড়াইয়ের চেষ্টা করলেও ২০ ওভারে মাত্র ১৪৬ রানেই গুটিয়ে যায় লখনউ। অধিনায়ক ঋষভ পন্থ আবারও হতাশ করেন। ফেরেন ১ রান করে। —দু’দফায় মিলিয়ে ৬ বল খেলে করেন মাত্র ১ রান।
১৪৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে ওপেনিংয়ে আসেন কোহলি, আর সেখান থেকেই শুরু তাঁর শাসন। মন্থর পিচেও আগ্রাসী মেজাজে ব্যাট করে পাওয়ার প্লে’তেই ম্যাচ প্রায় নিজের মুঠোয় এনে দেন তিনি। মাত্র ২০ বলে ৪০ রানের ঝোড়ো ইনিংসে আরসিবির জয়ের রাস্তা তৈরি হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ৩৪ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৪৯ রানে থামলেও, ততক্ষণে ম্যাচ কার্যত মুঠোয় আসে আরসিবির। পরে রজত পাতিদারের ২৭ এবং জিতেশ শর্মার ২৩ রানের ইনিংসে সহজেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বেঙ্গালুরু।
এই জয়ের ফলে ৫ ম্যাচে ৪ জয় নিয়ে শীর্ষে উঠে এল গতবারের চ্যাম্পিয়ন আরসিবি। অন্যদিকে লখনউ চলে গেল ৭ নম্বরে।
